ডেস্ক রিপোর্ট
বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছধরা নিষিদ্ধ থাকলো কথাবার্তাও চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নিষিদ্ধ অমান্য করে ধরতেছে মাছ ।
মৎস্য অধিদপ্তর,থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ ফাঁড়ি সবাইকে ম্যানেজ করা হয়েছে টাকার মাধ্যমে চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড থানা, আকবরশা থানা , পাহাড়তলীথানা হালিশহর থানা, ইপিজেড থানার পতেঙ্গা থানা, বন্দর থানা, পুলিশকে ৭ লাখ টাকা থেকে ৮ লাখ টাকার মাধ্যমে থানা বুকিং করা হয়েছে ।
প্রত্যেকটা থানাভিত্তিক উপকূলীয় এলাকায় জেলেদের মধ্যে দুই একজন নেতার মাধ্যমে তোলা হয় টাকাগুলো প্রত্যেকটা বোর্ড থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয় ,
পাহাড়তলী থানার পশ্চিম পাশে উপকূলীয় এলাকার ও বারুনী শান ঘাটে, আনন্দবাজার ঘাটে গোপনীয়ভাবে প্রকাশ করে জেলেরা টাকার বিষয় প্রতিটা বোর্ড থেকে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।
তাদের নাম প্রকাশ করলে কোন বাপে সাগরে মাছ ধরতে নামতে পারবে না জেলেদের দুঃখ প্রকাশ করতেছে গণমাধ্যমের সামনে ৬৫ দিন বন্ধ না দিয়ে প্রশাসন দিয়ে হয়রানি না করে অল্প সময়ের ভিতর মাছ ধরার জন্য সুযোগ-সুবিধা করে দিলে জেলেরা সৌভাগ্য মনে করতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে ধন্যবাদ জানাই তো ।
মাছ ধরার মৌসুমে বন্ধ করে দেওয়া হয় সাগরের মাছ ধরা। পত্রিকা মিডিয়াতে বন্ধ থাকলেও প্রকৃতভাবে সাগর বন্ধ থাকে না ।
পোস্টঘাট যদি সঠিকভাবে ব্যবস্থা নিলে সাগরে মাছ ধরার কোন সুযোগ সুবিধা থাকবে না । কেসু সুবিধাবাদী প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তাদের কারণে সুবিধা পাইতেছে অসাধু জলেরা ।