নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বায়েজিদ বাংলাবাজার দেবার পাড় এলাকাবাসী যেন জিম্মি হয়েছিলেন সোহাগের কাছে, সোহাগ ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন একজন গ্যাস কর্মকর্তা, হঠাৎ করেই চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদে আওয়ামী লীগ যুবলীগের চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠক ইঞ্জিনিয়ার আবু মহিউদ্দিনের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে যায়, আর তৎকালীন রাতারাতি ভাগ্য বদলে যায় সোহাগের, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, জাল দলিল জমি দখল চাঁদাবাজি ও নারী কেলেঙ্কারির মতো ঘটনায় নিয়মিত জড়িত ছিলেন সোহাগ, প্রকাশে অনিচ্ছুক ছিলেন এলাকার মানুষ, কেউ যদি সোহাগের বিরুদ্ধে প্রকাশে প্রতিবাদ করত তাহলেই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানা যায়।
জানা যায় চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালানোর দায়ে মামলা , বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ২ টা চাঁদাবাজির মামলা সহ তার নামে রয়েছে একাধিক মামলা , আর এত মামলা থাকা সত্ত্বেও যেন ধরাছোঁয়ার বাহিরে সোহাগ প্রকাশে গ্যাস সোহাগ।
তাহলে কি রক্তাক্ত জুলাই মাস আর হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে সাবেক স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ৫ ই আগস্ট ২০২৪ এর বিপ্লবের মাধ্যমে দিয়ে ফিরে পাওয়া স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে এখনো কি কিশোর গ্যাং লিডার ও আওয়ামী লীগের দোসর হয়ে ছাত্র ও জনতার উপর হামলাকারী সোহাগ প্রকাশে গ্যাস সোহাগকে আইনের আওতায় আনা যাচ্ছে না জাতি জানতে চায় , কারা দিচ্ছে সোহাগদেরকে আড়াল থেকে আশ্রয় ।