স্টাফ রিপোর্টার
শহীদ জিয়া গবেষনা পরিষদ পটুয়াখালী জেলা শাখার আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা’ শীর্ষক কর্মশালা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে পৌর শহরের ৮ নং ওয়ার্ড কলতলায় জহির মেহেরুন নার্সিং কলেজ হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত কর্মশালা ও ইফতার মাহফিলে শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদ পটুয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সুজাউদ্দিন নিলয়ের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ছগিরুল ইসলাম মজুমদার, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ মাহফুজুর রহমান সবুজ, কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ডা. জহিরুল ইসলাম, পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পটুয়াখালী পৌর আমির মোঃ আবুল বাশার, জিয়া গবেষণা পরিষদ বরগুনা জেলা কমিটির আহব্বায়ক মীরা খাঁন, পবিপ্রবি ডেপুটি রেজিস্ট্রার আমিনুল ইসলাম টিটু, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা সীমা সহ প্রমুখ।
কর্মশালায় কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস বলেন, ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কার সম্ভব হবে।তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচি শুধু বিএনপির নয় বাংলাদেশের সমগ্র জাতি ধর্ম নির্বিশেষে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপস্থিত অন্যান্যরা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নেতৃত্বে রাষ্ট্র কাঠামোর মেরামত করতে দেশ ও জাতির গনতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র সংষ্কারে এগিয়ে যাবো এটাই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমানের সৈনিকদের শপথ।
আলোচনা শেষে দোয়া মোনাজাত করা হয়েছে মোনাজাত সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বাংলা মাটি ও মানুষের মা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু কামনা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাগফেরাত কামনা করা হয়। সেই সাথে দেশ ও জাতির কল্যানে বিএনপির কাজ করার জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে ইফতার আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এসময় দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহন করেন।